সোমবার, ২৭ মার্চ, ২০২৩

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থল পরিদর্শন

 আমার অফিসের ইলেকট্রিকেলের প্রশিক্ষক গোলাম রসুল। তার বাড়ি ইশ্বরদীর রূপপুরে। আর এখনেই তৈরি হচ্ছে রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরী সহযোগিতায় বাংলাদেশের এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় প্রকল্প পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প যেটি নির্মাণে ব্যয় দাঁড়াবে ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে শতকরা ৯০ ভাগ অর্থ রাশিয়া ঋণ হিসাবে দিচ্ছে আর বাকী অর্থ বাংলাদেশ সরকার বহন করবে। ২০১৭ সালে এ প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও পাকিস্তান আমল থেকেই এটি স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। দেশ স্বধীনের পর বঙ্গবন্ধু সরকার উদ্যোগ নেওয়া শুরু করলেও তার মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের পর এটি বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ দিন পর তারই সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আবার এটি বাস্তবে রূপ দিতে উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশ করবে।



লেখক পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে

যেখানে তেল, গ্যাস,কয়লা দিয়ে তৈরি বিদ্যুতের ইউনিট প্রতি ব্যয় ৭/৮ টাকা, সেখানে পারমাণবিক বিদ্যুৎ থেকে এর অর্ধেক দামে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। বাংলাদেশ এ থেকে লাভবান হতে পারবে। তবে এর নির্মাণ ব্যয় তুলনামূলক বেশি। আরেকটি ইতিবাচক বিষয় এটি ৪০/৫০ বছর ধরে কোন সংস্কার ছাড়াই অব্যাহতভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে থাকবে। অনেকে ্র ঝুঁকির কথা, পারমাণবিক বর্জের কথা বলেন। এ বিষয়ে রাশিয়া বাংলাদেশের পাশে থাকবে অকৃত্রিম বন্ধুর মতো। তাদের কারিগরী টিম তো থাকছেই আর পারমাণবিক বর্জ রাশিয়া নিয়ে যাবে। তাহলে  আর চিন্তা কিসের।  কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। এখানে দুটি ইউনিটে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে। ২০২৪ সালে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

অন্যান্য সহকর্মীদের সাথে গোলাম রসুলের বাসায় দুপুরে ভুরিভোজন সারলাম। ইশ্বরদীর আরো জায়গায় ঘুরলাম। ফেরার পথে আবার তার বাসায় অনেক ফলমূল দিয়ে নাস্তা । ধন্যবাদ গোলাম রসুল ও তার পরিবারকে তাদের এই আতিথেয়তার জন্য।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে চাই কার্যকর উদ্যোগ


 

আমরা বিশ্ববাসী বর্তমানে একটি ভয়াবাহ যুদ্ধের ফলাফল ভোগ করছি। সেটি হলো রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ যা গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়। রাশিয়ার ভাষায়, এটি বিশেষ সামরিক অভিযান আর ইউক্রেনের ভাষায় এটি রুশ আগ্রাসন। ঐ দিনে রাশিয়া বিশাল সামরিক বহর নিয়ে তার প্রতিবেশি দেশ ইউক্রেনে ঢুকে পড়ে এবং বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা শুরু করে। প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছিল, রাশিয়া কিছুদিনের মধ্যেই কিয়েভের পতন ঘটাবে। কিন্তু সময় গড়াতে ইউক্রেন ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ইউক্রেনের পাশে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ পশ্চিমা বিশ্ব। তাদের ব্যাপক সহযোগিতায় ইউক্রেন প্রতি আক্রমণ শুরু করেছে। এ কারণে এক বছর অতিক্রান্ত হলেও রাশিয়ার দৃশ্যত কোন সামরিক সফলতা অর্জিত হয় নি। স্নায়ু যুদ্ধকালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পশ্চিমা গোষ্ঠি সমাজতান্ত্রিক বিশ্বকে ঠেকাতে ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ন্যাটো গঠিত হয়। আবার সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে তৎকালীন পূর্ব ইউরোপের ৮টি সমাজতান্ত্রিক দেশ মিলে ১৯৫৫ সালে ১৪ মে ওয়ারশ প্যাক্ট গঠিত হয়। স্নায়ু যুদ্ধের অবসানে ওয়ারশ প্যাক্ট বিলুপ্ত হলেও ন্যাটো সক্রিয় থাকে। এমনকি ওয়ারশ প্যাক্টের দেশগুলো পর্যায়ক্রমে ন্যাটোর ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করে। এ প্রেক্ষিতে ইউক্রেনের পশ্চিমাপন্থী প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির ইচ্ছা, তার দেশ ন্যাটোর সদস্য পদ গ্রহণ করবে। সঙ্গত কারণেই রাশিয়া তা মেনে নেবে না, এটিই স্বাভাবিক। কারণ রাশিয়া ইউক্রেন প্রতিবেশী রাষ্ট্র, দুটিই এককালের সোভিয়েতভূক্ত রাজ্য। ইউক্রেনের ন্যাটোতে অর্ন্তভূক্তি ঘটলে রাশিয়ার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে, এ আশঙ্কায় রাশিয়া এর তীব্র বিরোধিতা করে। তবে ন্যাটো ও ইউক্রেন তা সত্ত্বেও তাদের পরিকল্পনায় অগ্রসর হতে থাকে। তাই বাধ্য হয়ে রাশিয়া ইউক্রেনকে এ পথ থেকে সরাতে ও তাকে নিরস্ত্রীকরণ করতে এ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। প্রাথমিক পর্যায়ে তুরস্ক এ যুদ্ধ বন্ধে তৎপরতা চালায়। একদিকে তুরস্ক যেমন ন্যাটোভূক্ত দেশ তেমনি রাশিয়ার সাথে রয়েছে তার ভাল সম্পর্ক। তবে তার সে প্রচেষ্টা ফলপ্রসূ হয় নি। অতি সম্প্রতি চীন এ যুদ্ধ বন্ধে ১২ দফা শান্তি প্রস্তাব পেশ করে। রাশিয়া ও ইউক্রেন একে স্বাগত জানালেও যুক্তরাষ্ট্র, ন্যাটো, ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রত্যাখান করে। এতে মনে হচ্ছে, রাশিয়ার সাথে যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপীয় ইউনিয়ন  সরাসরি যুদ্ধ না করলেও তারা ছায়াযুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে। উভয় পক্ষ না চাইলে এ যুদ্ধ বন্ধ হবার নয়। পশ্চিমা গোষ্ঠি ইউক্রেনকে উস্কে দিয়ে এ যুদ্ধকে জিইয়ে রাখতে চায়। এ যুদ্ধের মাধ্যমে চূড়ান্ত জয়-পরাজয় নির্ধারিত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। হলেও তা সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। ইতোমধ্যে উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যাপক হতাহত হয়েছে। তাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অপরিমেয়। আর পরোক্ষভাবে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ আজ ক্ষতির সম্মুখীন। ইউক্রেনের এক কোটির অধিক মানুষ বাস্তুচ্যূত। রাশিয়াকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করতে গিয়ে পশ্চিমা গোষ্ঠি একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিয়েই চলেছে। নিষেধাজ্ঞার বেড়াজালে আপাতদৃষ্টিতে রাশিয়াকে কাবু করা যাচ্ছে না। তবে দীর্ঘমেয়াদী সেও ক্ষতির সম্মুখীন হবে এটি নিশ্চিত। যুদ্ধের কারণে খাদ্য ও জ্বালানী সংকট তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। বিভিন্ন দেশ অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন, বিভিন্ন দেশে দূর্ভিক্ষাবস্থা বিরাজ করছে। কিছু দেশ দেউলিয়া হবার সীমানায় রয়েছে। অথচ কিছু দেশের যুদ্ধংদেহী মনোভাব এ যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করছে। এতে করে আরো বেশি দেশ এর সাথে জড়িয়ে পড়তে পারে। আর পরমাণু শক্তিধর দেশগুলো যদি হটকারী সিদ্ধান্ত নিয়ে এ অস্ত্রের প্রয়োগ ঘটায় তাহলে মানব সভ্যতা হুমকির মধ্যে পড়বে। সে সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। আর কোন হিরোসীমা, নাগাসাকি সৃষ্টি হোক, বিশ্ববাসী তা দেখতে চায় না। তাই যুদ্ধ নয়, আলোচনার টেবিলেই সকল সমস্যার সমাধান করতে হবে। যুদ্ধরত পক্ষগুলোর সাধারণ নাগরিকরা কোনক্রমেই যুদ্ধ চায় না। অথচ তাদের সরকারগুলো যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। সম্প্রতি ভারতে অনুষ্ঠিত জি-২০ দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মি. এন্টনী ব্লিংকেন এবং রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মি. সের্গেই ল্যাভরভের মধ্যে একটি বৈঠক হয়। এতে আশা করা হয়েছিল, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে কোন অগ্রগতি হবে। সারা বিশ্বকে হতাশ করে জানা গেল, যুদ্ধ বন্ধে কোন সমঝোতা বা অগ্রগতি হয় নি। অর্থাৎ এ যুদ্ধ চলবে এক পক্ষ পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত। যুদ্ধ বন্ধে বিবদমান পক্ষগুলো আন্তরিক না হলে, একগুঁয়েমী মনোভাব পরিত্যাগ না করলে এর পরিণতি ভয়াবাহ রূপ ধারণ করতে পারে। এই সুন্দর পৃথিবীকে আমরা ঝুঁকিতে ফেলতে চাই না। আমরা অবিলম্বে বিবদমান পক্ষগুলোকে আলোচনার টেবিলে এনে যুদ্ধ বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানাই।

বুধবার, ২২ মার্চ, ২০২৩

গতকাল ২২ মার্চ, ২০২৩ তারিখ সকাল ১০.০০ ঘটিকায় লালপুরের উদ্দেশ্যে সহকারী পরিচালক সাহাবুদ্দীন, মখলেছ ও ওয়াইডিও সবুরকে নিয়ে যাত্রা করলাম। লালপুর যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে চলমান ৩ মাস মেয়াদী গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি পালন, প্রাথমিক চিকিৎসা, মৎস্যচাষ ও কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সে সেসন পরিচালনা, সংস্কারকৃত মসজিদে যোহরের নামাজ শেষে দোয়ায় অংশগ্রহণ, দুপুরে লাঞ্চ গ্রহণ, শেষে লালপুর উপজেলা যুব উন্নয়ন কার্যালয় কর্তৃক জনসচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তব্য প্রদান।




শনিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২২

 অস্তিত্ব


ঘন কালো নিকশ অন্ধকার

অথবা তীব্র আলোর ছটায়

দেখা যায় না কিচ্ছু।

জন্মান্ধের মতোন লাঠি ফেলে পথ খুঁজি।

সবাই গট গট করে দিব্যি হেঁটে যায়

আর আমি বসে ঘরের কোণে

শত্রুর সাথে-নিজের সাথে নিরন্তর যুদ্ধ করি,

লক্ষ কোটি তারার জ্বলা-নেভার খেলা দেখি।


খুঁজি সারা বাড়ি, সারা শহর, সারা আকাশ

চর্মচক্ষে দেখা যায় যদি তার আকার অবয়ব।

যদি শোনা যায় মাত্র একটি শব্দ ‘আব্বু’

যত দ্রুত বা ক্ষীণ কণ্ঠেই হোক।


তোমার ধীর-স্থির হাঁটা-চলা, কোলে বসে খাওয়া

রিক্সায় বা হোন্ডায় কলেজে যাওয়া

টিভি সিরিয়াল দেখা, মোবাইল নিয়ে খেলা

সবকিছু যেন বইয়ের পাতায় মোড়ানো।

উল্টিয়ে পাল্টিয়ে পড়ে ফেলি সব।

ইতিহাস হয়ে সাজানো আছে মনের ভেতর।


কে বলে তুমি নাই?

এইতো তোমার পড়ার সাজানো টেবিল 

বই-খাতা, কলমদানী, ভ্যানিটি ব্যাগ, মেকাপ বক্স

সবকিছু সাক্ষ্য দেয় তোমার অস্তিত্বের।

সকল প্রাঙ্গণে তোমার পদচিহ্ন

সকল গৃহবস্তুতে তোমার শীর্ণ হাতের ছোঁয়া।

তুমি আমার অস্তিত্ব-আমার শরীর

দিনে-রাতে তোমায় অনুভব করি। 


                                         মেমোরী হাউজ, বগুড়া  ১৯/১০/২০২১ খ্রিস্টাব্দ।


শনিবার, ২ অক্টোবর, ২০২১

 

‘গরম খবর’ না 

গরম খরব, গরম খবর, বলে সে কাকডাকা ভোরবেলা থেকে চীৎকার করে ছুটে বেড়ানো

হালকা-পাতলা ধরনের মধ্যবয়সী হকার এখন নিজে গরম খবর।

যতদূর জানি, নাম তার মানিক,বাড়ি রংপুর অঞ্চলে-এরশাদ চাচার বিশেষ অনুরাগী।

যদিও নাম আর অঞ্চলে কিবা আসে যায়, মানুষ কেমন সেটা মুখ্য।

(জ্ঞানীজনের কথা কখনো যায় না বিফলে )

তার হাঁক-ডাকে চোখ জুড়ে ঘুমে থাকা আড়মোরা দিয়ে বিছানা ছেড়ে যায়,

কান ফেলে শুনে তার সমকালীন রাজনীতি,অর্থনীতি আর ঝড়তোলা ঘটনা

তার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ শুনে অবাক হয়ে যাই যেন টক শো এর বিদগ্ধ অতিথি।

লেখাপড়া করে নি তেমন, ছোট কোন ডিগ্রীও নে তার ঝুলিতে, তাতে কী

কোথায় শিখেছে সে কথা বলার এমন যাদুকরী বিদ্যা।

কি সাবলীল ভাষায় দেখো, দর্শক-শ্রোতাদের বিমোহিত করে, যাদুকরের মতো ঘিরে ধরে যেন

নিজে একটা মহামূল্যবান মানিক-কাড়াকাড়ি করে  নিতে চায় সবাই।

একটা পুরনো সাকেলের ক্যারিয়ারে কয়েকশ’ পেপার পরম যত্নে রোদবৃষ্টিতে ঢেকে রাখে-

যেন তার নিজের অবুঝ সন্তান।

কথার যাদুতে সে হাটে আর মাঠে পেপার ফেরী করে -খবর বিক্রি করা তার নেশা আর পেশা।

দেশ-বিদেশের সঙ্কটে তার পেপার চলে গরম কেকের মতোন।

 

গরম খবর আর আসে না, ব্যালকনিতে দাড়িয়ে থাকি তার অপেক্ষায়

অপেক্ষার প্রহর আর শেষ হয় না, সে আসে না।

কেউ তার খবর রাখে না,

সে কি আর আপন ঠিকানা পেয়েছে খুঁজে?

গরম খবরের নিচে চাপা পড়ে নিজে খবর হলো।

কিছু্ জানি না আমি-কিছু চিনি না,

আমার পাশের বাড়ির লোকটিকে আমি দেখি নি কোনদিন।  ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, মেমোরী হাউজ, স্নিগ্ধা আবাসিক,বগুড়া

শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৩